নিরাপত্তার দিক হতে সেরা চারটি সিকিউর ওয়েব ব্রাউজার
বেস্ট সিকিউর ওয়েব ব্রাউজার আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কম্পিউটারে ইন্টারনেটের বেশীর ভাগ কাজই করা হয়ে থাকে ওয়েব ব্রাউজারের সাহায্যে। আর ব্রাউজারের নিরাপত্তা কেন গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা আগেই জেনেছি। আমরা এখানে জানতে চেষ্টা করবো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময়ে গোপনীয়তা রক্ষাকারী ৪টি সেরা সুরক্ষিত ব্রাউজার সম্পর্কে।
সিকিউর ওয়েব ব্রাউজার কেন প্রয়োজন?
একটি নিরাপদ তথা সুরক্ষিত ওয়েব ব্রাউজার যা আমাদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করে অনলাইনে নিরাপদ থাকার জন্য এবং কোনো অসাধু ব্যক্তির অনিষ্ট হতে আমাদের তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সময়ে সময়ে ত্রুটিমুক্ত তথা হালনাগাদ করা ভার্সনের বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ করে আমরা এখানে কয়েকটি সুরক্ষিত ব্রাউজার সম্পর্কে আলোচনা করবো।
প্রতিটি ব্যক্তি এমন একটি নিরাপদ ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করতে চান যা সত্যিকারে তার ব্যক্তিগত তথ্যাবলী সুরক্ষিত তথা নিরাপদ থাকে। কিন্তু ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য প্রকৃতপক্ষে কতটা প্রকাশ পেয়ে থাকে তা জেনে আপনি অবাক হয়ে যাবেন!
ওয়েব ব্রাউজার কিভাবে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে?
ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার জন্য আপনার পরিচিত সকল ওয়েব ব্রাউজারই কোনো না কোনোভাবে অনলাইন বিজ্ঞাপন কোম্পানির জন্য তথ্য সংগ্রহের টুল। সেটা বর্তমানের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় ব্রাউজার “গুগল ক্রোমের“ ক্ষেত্রেও। বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী করা এসব ওয়েব ব্রাউজারগুলি আমার আপনার মতো ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার সময়ে ব্যবহৃত ডেটা সংগ্রহ করে, এই সকল কোম্পানিগুলি তাদের সাথে যৌথভাবে বিজ্ঞাপন প্রচারকারী অংশীদের কাঙ্খিত বিজ্ঞাপনগুলি প্রচারে সহযোগিতা করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে থাকে।
আমরা যে সকল সার্চ ইঞ্জিন, ইমেল পরিষেবা এমনকি বিনামূল্যের মোবাইল অ্যাপগুলিতেও এই একই পদ্ধতিতে গোপনীয়তা-অপব্যবহার করে তা দিয়ে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা দেখতে পাই।
সঠিকভাবে কনফিগার না করার কারণে বেশিরভাগ ওয়েব ব্রাউজারেই অনেক ব্যক্তিগত তথ্য থাকে। যা বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে এই সকল তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। যেমন-
তার পরেও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শতভাগ সম্ভব না হলেও আমাদের এ বিষয়ে গ্রহণ করা কিছু কিছু পদক্ষেপ অনেকটা এই গোপনীয়তাকে শক্তিশালী করবে। যেমন আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা, একটি ভালোমানের সুরক্ষিত ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করা, ব্যক্তিগত তথ্যাদি প্রদানের সময় কিছু কিছু নিয়ম মেনে চলা ইত্যাদি।
আমরা এ সকল বিষয়ে এখানে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করতে যাচ্ছি। আশা করছি যা আপনার কাজে দেবে। একটি ভালো মানের সুরক্ষিত ব্রাউজার যা আমাদের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষায় আমাদের সাহায্য করবে এমন কিছু বৈশিষ্টাবলী নিম্নে আলোচনা করা হলো। আমাদের ওয়েব ব্রাউজারটিকে হতে হবে-
VPN কি?
VPN এর পূর্ণ অর্থ হলো “Virtual Private Network“, যা সাধারণত ভিপিএন নামে পরিচিত। এটি একটি সুরক্ষিত এবং ব্যক্তিগত অনলাইন সংযোগ পদ্ধতি। যা এর ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি প্রকাশ না করেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সুবিধা দিয়ে থাকে।
ভিপিএন (VPN) ব্যবহারের সময়ে আপনার ডিভাইস বা আপনার কম্পিউটার এবং VPN সার্ভারের মধ্যে একটি সুরক্ষিত, এনক্রিপ্ট করা টানেল স্থাপন করে। এই এনক্রিপ্ট করা সংযোগ ব্যবহারের ফলে আপনার অনলাইন কার্যক্রমগুলিকে তৃতীয় পক্ষের নজর থেকে রক্ষা করে। যেমন হ্যাকার, সরকারি নজরদারি বা আপনার ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীও।
VPN সার্ভারের মাধ্যমে আপনার ইন্টারনেট ট্র্যাফিক রুট করার মাধ্যমে আপনার IP Address এবং Location কে ছদ্মবেশে পরিণত করা হয়। যা অপর কারও জন্য আপনার অনলাইন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করা কঠিন করে তোলে। এ কারণে VPN ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। যার মধ্যে রয়েছে অনলাইন গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা, ব্লক করা ওয়েবসাইটগুলিতে অ্যাক্সেস করা, উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার সময় তথ্য আদান-প্রদান সুরক্ষিত রাখা।
কেন VPN ব্যবহার করবেন?
আপনার ব্রাউজারে "Incognito" বা "Private" ব্রাউজিং মোড ব্যবহার করার সময়েও আপনার IP Address এবং Location ব্রাউজারে লোড হওয়া প্রতিটি ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন এবং আপনাকে অনুসরণকারীদের নিকট নিয়মিত জানানো হয়ে থাকে। এ ছাড়াও আপনার সমস্ত অনলাইন কার্যকলাপ আপনার ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীর (ISP) কাছে প্রায় সময় দৃশ্যমান থাকে। তাই আপনি কখনোই তাদের নজরদারীর বাইরে নন।
আপনার আসল IP Address এবং অনলাইন কার্যক্রম গোপন রেখে সত্যিকারের গোপনীয়তা পাবার সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে একটি ভাল মানের VPN সহ একটি সুরক্ষিত ব্রাউজার ব্যবহার করা ৷ যা আপনার প্রায় সকল ধরণের গোপনীয়তা নিশ্চিত করবে।
৪টি সুরক্ষিত ব্রাউজার
এ পর্যায়ে আমরা দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কয়েকটি সেরা সুরক্ষিত তথা সিকিউর ওয়েব ব্রাউজার এর তালিকা করেছি।
যার প্রথমটি হচ্ছে নিরাপত্তা-
নিরাপত্তা: এর ভিত্তিতে দেখতে হবে ব্রাউজারটি আপনাকে হ্যাকার আক্রমন, কারিগরি দূর্বলতা এবং ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়া থেকে কতটা রক্ষা করতে পারবে?
এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে গোপনীয়তা-
গোপনীয়তা: ব্রাউজার নিজেই আপনার প্রদানকৃত ব্যক্তিগত তথ্যের কতটুকু সংগ্রহ করছে বা এই তথ্য কোথায় কোথায় শেয়ার করছে?
এখানে আমাদের নির্বাচিত সুরক্ষিত ওয়েব ব্রাউজারের তালিকাটি একান্তই আমাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল। তাই আপনাকে নিজ দায়িত্বে আপনার জন্য একটি সুরক্ষিত ব্রাউজার বেছে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হলো।
Brave
আমাদের তালিকার প্রথম ওয়েব ব্রাউজারটির নাম হচ্ছে Brave। Brave এর প্রধান Developer হলেন ব্র্যান্ডন ইচ , যিনি পূর্বে মোজিলার জন্য কাজ করেছিলেন। Brave অত্যন্ত সহজ ইন্টারফেসের এবং গোপনীয়তা রক্ষার্থে সবচেয়ে নিরাপদ ব্রাউজার। এটি ক্রোমিয়াম -ভিত্তিক ব্রাউজার। যা নানবিধ বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ যা বেশ দ্রুত, সুরক্ষিত এবং গোপনীয়তাকে বিশেষ প্রাধান্য দেয়া একটি ব্রাউজার ৷ এতে রয়েছে একটি শক্তিশালী Add Blocker এবং ব্রাউজার ফিঙ্গারপ্রিন্টিং সুরক্ষা পদ্ধতি। সেই সাথে অসংখ্য অ্যাড-অন এবং এক্সটেনশনযুক্ত করার সুবিধা।
ব্রেভ ওপেন সোর্স Chromium-এর উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হলেও এতে আরও বিশেষভাবে গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কনফিগার করা হয়েছে। এর ডিফল্ট গোপনীয়তা সেটিংস এবং সেই সাথে অতিরিক্ত ফিচারগুলি বেশ ভালোভাবেই কাজ করে থাকে।
Brave এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো-
ব্রেভ (Brave) ব্রাউজার হিসেবে প্রথম পছন্দ করার প্রধান কারণ হলো এটি একটি সহজ, সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করে থাকে। Brave ব্রাউজার তাদের জন্য একটি আদর্শ ব্রাউজার হতে পারে, যাদের ওয়েব ব্রাউজার কাস্টমাইজেশন, সিকিউরিটি সেটিংস ঠিক করা ইত্যাদি বিষয়ে সময়, ধৈর্য বা জ্ঞান নেই। Brave ব্রাউজারে আপনি সহজেই ক্রোম ব্রাউজারে সাপোর্ট করে এমন এক্সটেনশনও যুক্ত করে ব্যবহার করতে পারবেন।
Brave ব্রাউজার এর অন্যান্য সুবিধা সমূহ-
Brave এর গোপনীয়তা সুবিধা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।
Firefox
ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজার ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা এবং ব্রাউজিং নিরাপত্তার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সুরক্ষিত ব্রাউজার। এতে রয়েছে শক্তিশালী গোপনীয়তা সুরক্ষা সুবিধা, ব্রাউজারের অনেক কাস্টমাইজেশন সুবিধা, যথেষ্ট তৃতীয় পক্ষের নজরদারী হতে সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং এর অসংখ্য সক্রিয় Developer কর্তৃক প্রতিনিয়ত আপডেট সুবিধা। ফায়ারফক্সের নতুন সংস্করণগুলি অসাধারণ গোপনীয়তা কাস্টমাইজেশন সুবিধা প্রদানের সাথে সাথে দ্রুত লোডিং এবং কম রিসোর্স ব্যবহারের জন্য এটি দীর্ঘদিন থেকে বেশ জনপ্রিয়।
Firefox কে দ্রুত, হালকা এবং সেরা সুরক্ষিত ব্রাউজারগুলির মধ্যে একটি করতে চাইলে একে কিছুটা কাস্টমাইজ করে নিতে হতে পারে।
আমাদের ব্যক্তিগত মতে ফায়ারফক্স গোপনীয়তার জন্য কিছুটা দুর্বল রয়েছে। তবে সঠিকভাবে এর কিছু সেটিংস কাস্টমাইজ করে নিয়ে সহজেই একে শক্তিশালী করা যেতে পারে।
Firefox ব্রাউজারের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা সেটিংস এর মধ্যে গোপনীয়তার বিভিন্ন স্তরের জন্য অনেকগুলি দরকারী কাস্টমাইজেশন সুবিধা রয়েছে। যেমন- Standard , Strict অথবা Custom ৷
ফায়ারফক্স ওয়েব ব্রাউজারের সুবিধাবলী:
Tor Browser
আমাদের তালিকার তৃতীয় সুরক্ষিত ব্রাউজারটি হচ্ছে টর ব্রাউজার। টর ব্রাউজারটি ফায়ারফক্সের আর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সংস্করণ। টর ব্রাউজার টর নেটওয়ার্কে চালানোর জন্য এক বিশেষভাবে কনফিগার করা হয়েছে। কোনো রকম কাস্টমাইজেশন ছাড়াই টর ব্রাউজার একটি সুরক্ষিত ওয়েব ব্রাউজার যা আপনাকে ব্রাউজার ফিঙ্গারপ্রিন্টিং থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে থাকে। তবে টর ব্রাউজারের কিছু অসুবিধাও রয়েছে।
যেহেতু এই ব্রাউজারটি টর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সেহেতু তিনটি ভিন্ন ভিন্ন কী ব্যবহার করে এটি কাজ করে থাকে। যেমন:
প্রথমত: Tor নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটার গোপনীয়তা নিশ্চিত করার জন্য এর এনক্রিপশন,
দ্বিতীয়ত: Authentication পদ্ধতিতে যাতে ক্লায়েন্টরা জানতে পারে যে তারা যে রিলেগুলির সাথে কথা বলতে চায় শুধুমাত্র তার সাথে কথা বলছে এবং
তৃতীয়ত: Identification authorizing পদ্ধতিতে সকল ক্লায়েন্ট রিলে একই সেট জানেন তা নিশ্চিত করণের মাধ্যমে।
এই সকল পদ্ধতে ট্রাফিককে রুট করানোর এটি সংযোগ স্থাপন করে থাকে। তাই টর ব্রাউজার ব্যবহারে আপনার গোপনীয়তার সর্বোচ্চ নিশ্চিত করা সম্ভব।
তবে টর ব্রাউজার ব্যবহারে এটি দিয়ে ডাউনলোডের গতি বেশ ধীর হতে পারে। ডিফল্ট সেটিংস এ স্ক্রিপ্ট ব্লক করার কারণে এটি দিয়ে ব্রাউজ করা কিছু কিছু ওয়েব সাইট পরিপূর্ণভাবে লোড নাও হতে পারে। টর ব্রাউজারের কিছু অসুবিধা রয়েছে। যেমন
টর ব্রাউজারেরও ভালো এবং মন্দ দুটি দিকই রয়েছে। তবে প্রচলিত অন্যান্য ব্রাউজার থেকে একটু ব্যতিক্রম।
LibreWolf
LibreWolf হল ফায়ারফক্সের একটি সংরস্করণ যার জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। এই ওয়েব ব্রাউজারের প্রধান লক্ষ্য হল একটি সুরক্ষিত ব্রাউজার সরবরাহ করা, যা গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার উপর বিশেষ প্রাধান্য থাকবে।
এ ওয়েব ব্রাউজারটি ট্র্যাকিং এবং ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বৈশিষ্ট্যগুলির বিষয়ে অধিকতর সুরক্ষা বাড়ানোর জন্যই ডিজাইন করা হয়েছে। সেইসাথে এতে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি আমাদের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা ভিত্তিক সেটিংস এবং এ বিষয়ে সিকিউরিটি প্যাচগুলির নিয়মিত আপডেট দিয়ে থাকে। LibreWolf-এর লক্ষ্য হল সমস্ত টেলিমেট্রি, ডেটা সংগ্রহ এবং বিরক্তি দূর করা।
LibreWolf এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ:
LibreWolf ব্রাউজার উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, লিনাক্সসহ ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উপযুক্ত। আপনি কিভাবে LibreWolf ইনস্টল করবেন তা এখানে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন।
লিবরাউল্ফ (LibreWolf) ব্রাউজার এর কোন স্বয়ংক্রিয় আপডেট অপশন নেই। আপনাকে ম্যানুয়ালি ব্রাউজারটি আপডেট করে নিতে হবে।
LibreWolf ফায়ারফক্সের সর্বশেষ সংস্করণের উপর ভিত্তি করেই আপডেট করে থাকে। যারা ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমে গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান তাদের জন্য LibreWolf ব্রাউজার অবশ্যই বিবেচনা করার মতো একটি ব্রাউজার।
পরিশেষে, আপনি যদি আপনার গোপনীয়তার সুরক্ষা নিশ্চিত করে ওয়েব ব্রাউজ করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই একটি ভাল কনফিগার করা সুরক্ষিত তথা সিকিউর ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে।